মোঃ হাবিবুল্লাহ খান রাব্বী ।।
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য বন্দর ও পর্যটন অধ্যুষিত এলাকা মহিপুর থানা পূর্ণাঙ্গ উপজেলা হিসেবে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২ জুন) বিকেলে মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে স্থানীয় সুধীসমাজ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আঃ জলিল হাওলাদার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাজাহান পারভেজ, মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. ফজলু গাজী, ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা হেদায়েত উল্লাহ, লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কালিম মাহমুদ, মহিপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান প্যাদা, মহিপুর এসআরএসবি সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সোহাগ হাওলাদার এবং ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি তোফিজেল হোসাইন সিপাহীসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, মহিপুর দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও সমুদ্র উপকূলীয় গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল। একই সঙ্গে কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের প্রবেশদ্বার হিসেবে এলাকাটির গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিপুল জনসংখ্যা, বিস্তীর্ণ ভৌগোলিক এলাকা, প্রশাসনিক কার্যক্রমের ব্যাপকতা এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কারণে মহিপুর দীর্ঘদিন ধরেই উপজেলা ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছে স্থানীয় জনগণ।
তারা আরও বলেন, পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে মহিপুর থানাকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলায় উন্নীত করার অঙ্গীকার করেছিলেন। স্থানীয় জনগণ আশা করছে, সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে মহিপুরকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করবে।
সভায় উপস্থিত বক্তারা মহিপুরকে উপজেলা হিসেবে বাস্তবায়নের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্তের কথা জানান।
মতবিনিময় সভায় চার ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, জেলে প্রতিনিধি ও সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।



















