
কাজী মামুন,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীতে মাসব্যাপী ক্ষুদ্র পণ্য বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। শহরের পিডিএস মাঠে জেলা প্রশাসক আবুল হাসনাত মোঃ আরিফিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
শহরের নিউমার্কেট সংলগ্ন জেলার ঐতিবাহী পিডিএস মাঠে আয়োজিত বাণিজ্য মেলায় ১০০টি স্টলের মধ্যে ক্রোকারিজ সামগ্রী, খাদ্য সামগ্রী, তাত বস্ত্র, গার্মেন্টস, ভ্যারাইটি সামগ্রী, গিফট কর্ণার, খেলনা সামগ্রী ছাড়াও ছোট সোনামনিদের বিনোদনে নাগরদোলাসহ বেশ কয়েকটি রাইডস, সার্কাস ও প্রাইভেটকার রেন্জ প্রদর্শনী রয়েছে।
এক সময় গ্রাম বাংলার প্রাচীন বিনোদনের প্রাণ বলতে বলাহত সার্কাসকেই, সার্কাসে প্রদর্শিত ইভেন্টে নিয়জিত ব্যাক্তিদের উচু স্থান থেকে একটি মাত্র দড়িতে একপার থেকে অন্য পারে হেঁটে চলাকে দেখে দর্শকদের মনের ভিতর শিহরণ সৃষ্টি করে রোমাঞ্চকর অনুভূতি পার করে তুলে, আবার জীবন্ত মাছ পানির সাথে গ্লাসে নিয়ে দর্শকদের দেখিয়ে তা আবার খেয়ে ফেলা আবার শূন্য নিজেকে ঝুঁলিয়ে রেখে দর্শকদের মনে ভয়ের সঞ্চার করে এ যেনো অন্য রকম এক অনুভূতির ছোয়া, কখনো কখনো জোকারের বেশে রংবেরঙের সাঝ আপনার শোনামনিকে করবে আনন্দ ও হাসোজ্জল । তাছাড়া চলচ্চিত্রের শিল্পীদের নানান বিষয় সংলাপ বা ডায়লগ আপনাকে বিনোদনের আলাদামাত্রা যোগ করবে, সার্কাসের প্রদর্শিত প্রতিটা বিষয় উপস্থিত দর্শকদের করে তোলে কৌতুহলী ও প্রাণবন্ত।
বিশেষ করে জীবন্ত মাছে কাঁচা গিলেফেলাকে কেন্দ্র করে উপস্থিত দর্শকদের মাঝে তৈরি হয় ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের, প্রশ্ন বানে জর্জরিত হতে দেখা যায় তাদের চোখে মুখে। সার্কাস দেখতে আশা দর্শক জাকারিয়া বলেন আমি লোকমুখে শুনেছি যে সার্কাসে জীবন্ত মাছ গিলে খাওয়া হয়, মাছ গিলে আসলে কিভাবে খেতে পারে এ কৌতূহল মিটাতেই আমি ও আমার পরিবার এখানে এসেছি ও দেখেছি মাছ গিলে খাওয়াটা আমাকে ব্যাপক আন্দ দিয়েছে আমরা এটা খুব ভালো উপভোগ করেছি। নিজের চোখে দেখা এটা আসলেই খুব রোমাঞ্চকর,অপরদিকে বর্তমান শীতের এসময় সার্কাস আয়োজন এ সময় মানুষদেরকে কিছু আনন্দ দিতে পারবে বলে তিনি প্রতিবেদককে জানান।
মেলা প্রাঙ্গণ প্রতিদিন বিকেল ৬ টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত দুই বার চলে এ সার্কাস নাম মাত্র প্রবেশ ফি দিয়ে নিজের পরিবার ও বন্ধু বান্ধবদের নিয়ে টানা শো’র ২ ঘন্টা জেনো এক একটা মুহূর্ত পার হয় আতংক আর উত্তেজনায়।
সার্কাস আয়োজক কমিটি বলছেন মেলা বর্তমানে শুরু হয়েছে মাত্র,বর্তামানে আমাদের নির্ধারিত ইভেন্টের কিছু কম প্রদর্শন করছি তবে দর্শক উপস্থিত কিছু টা বাড়লে আমরা আমাদের সকল ইভেন্ট দর্শকদের উপভোগ করাতে পারবো। বর্তমানে দর্শক উপস্থিত কম ও অধিক হারে ফ্রি টিকিট দেয়ার কারণে আমাদের চাহিদা মাফিক খরচ উঠাতে না পারায় ইভেন্ট প্রদর্শন কম হচ্ছে ইনশাআল্লাহ খুব তাড়াতাড়ি এটা কাঁটিয়ে উঠতে পারবেন বলে তিনি আশা করছেন।
তাছাড়া পটুয়াখালী গ্রামীণ শিল্প পণ্য মেলার প্রবেশ টিকেটে রয়েছে বিশেষ আকর্ষণীয় পুরষ্কার গাড়ি,মটরসাইকেল,ফ্রিজ টিভি থেকে একাধিক পুরষ্কার। তাহলে আর দেড়িকেনো চলে আসুন মেসার্স সামিউল এন্টারপ্রাইজের আয়োজনে মাস ব্যাপি গ্রামীণ শিল্প মেলা ২০২৪ পটুয়াখালীতে।