
নির্ভুল বার্তা ডেস্ক :
পটুয়াখালী জেলার কৃষকদের উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে সরকারি সনদপত্র গ্রহণ, এডভোকেসি, লবিং ও নেটওয়ার্কিং এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সহভাগিতা এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বিষয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ আগস্ট) সকাল ১১টায় পটুয়াখালী হর্টিকালচার সেন্টার অডিটরিয়ামে কারিতাস বরিশাল অঞ্চল এর ‘প্রয়াস প্রকল্প’ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন, কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক, মিস্টার ফ্রান্সিস বেপারী।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রধান, অধ্যাপক ড. মাহবুব রব্বানী।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পটুয়াখালীর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহাদাত হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন, কলাপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আরাফাত হোসেন, মির্জাগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, কলাপাড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. নাহিদ হাসান এবং উপকূলীয় মানব উন্নয়ন সংস্থা (সিকোডা)-এর নির্বাহী পরিচালক ও বিএমইউজে পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মো. মিজানুর রহমান।
এছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষি অফিসার ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের পিও-ডিএম মিস্টার সম্রাট সেরাও।
সভায় সর্বজনীন প্রার্থনা করেন কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের প্রয়াস প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন।

বক্তারা বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার করে উৎপাদিত কৃষিপণ্য স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ। তবে এই পণ্যকে বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদন অপরিহার্য। এজন্য কৃষকদের সনদপত্র গ্রহণে সহায়তা প্রদান করা হবে এবং সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট জাতীয় পর্যায়ে বাজারজাত করার পথ সুগম হবে।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা আরও উল্লেখ করেন, জৈব সার হিসেবে ভার্মি কম্পোস্ট মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে, পরিবেশ রক্ষা করে এবং রাসায়নিক সার নির্ভরতা হ্রাস করে। তাই কৃষক পর্যায়ে এর উৎপাদন বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা জরুরি।
মোঃ মিজানুর রহমান