নির্ভুল বার্তা ডেস্ক :
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং গ্রামভিত্তিক অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় কুয়াকাটার আজিমপুর আম্বিয়া বেগমের বাড়িতে এই কর্মসূচির সূচনা হয়।
‘বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল অভিযোজন কৌশল বৃদ্ধিতে সক্ষমতা অর্জন (একর্যাব)’ প্রকল্পের আওতায় কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

oplus_0
কর্মসূচির শুরুতেই গ্রামটি পরিদর্শন করেন অংশগ্রহণকারীরা। পরে একটি চিত্রম্যাপ প্রণয়ন করা হয়, যেখানে গ্রামটির বাড়িঘর, রাস্তা, কালভার্ট, খাল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমিসহ জলবায়ুজনিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহ চিহ্নিত করা হয়। এতে করে জলবায়ু সহনশীল অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়নে বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হবে বলে আয়োজকরা জানান।
পরে এক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের ধরিত্রী ও একর্যাব প্রকল্পের জুনিয়র কর্মসূচি কর্মকর্তা, মি: জর্জ বৈরাগী।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, পটুয়াখালী সহকারি বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ আফজাল হোসেন, উপকূলীয় মানব উন্নয়ন সংস্থা (সিকোডা)-র নির্বাহী পরিচালক ও জাতীয় দৈনিক ‘আজকালের কণ্ঠ’ পত্রিকার উপ-সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, আজিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মোঃ নাসির উদ্দিন, ধরিত্রী প্রকল্পের ফ্যাসিলিটেটর নিয়ন্ত গমেজ এবং একর্যাব প্রকল্পের অন্যান্য কমিউনিটি মোবিলাইজারগণ।

oplus_0
প্রোগ্রামটি পরিচালনা করেন একর্যাব প্রকল্পের কমিউনিটি মোবিলাইজার উম্মে খাদিজা।
আয়োজকরা জানান, কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনেও মাঠ পর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতির মাধ্যমে অভিযোজন পরিকল্পনার ওপর কাজ চলবে।