
মোঃ হাবিবুল্লাহ খান রাব্বী ॥ মহিপুরে যৌতুকের দাবীতে গৃহবধুকে শারীরীক নির্যাতন করে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৬ অক্টোবর বিকাল ৪টার দিকে অভিযোগকারী আব্দুর রহিম জানিয়েছেন, তার বাড়ি ৭নং লতাচাপলী ইউনিয়নের খাজুরা গ্রামে, গত ৯মাস পূর্বে একওই ইউনিয়নের ৪নং ওর্য়াডের লক্ষীপাড়া গ্রামের মোঃ হারুন গাজীর পুত্র, মোঃ কাওছার গাজী ( ২২)’র সাথে তার কন্যা মোসাঃ হাফিজা (১৯) এর সাথে পারিবারিক ভাবে শরা-শরীয়াত মোতাবেক বিবাহ হয়। তার মেয়ের চেহারা কালো বিধায় বিবাহের পর থেকেই বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবীতে শারীরীক ভাবে নির্যাতন করতো। একাধীকবার শারীরীক নির্যাতন করে। নির্যাতনের বিষয়টি স্থানীয় গনমান বাক্তিবর্গরা শালিশ বৈঠকের মাধমে নিস্পত্তি করে। ফলে মেয়ের ভবিষ্যত সুখের কথা চিন্তা করে প্রায় ৫ লক্ষাধীক টাকার মালামাল দিলেও ফের ১ লাখ ৪০ হাজার টাকায় একটি মটর বাইক ক্রয় করে দেয়া হয়। এক মাস ভালো থাকার পর পুনরায় বাজারে দোকান্দারী করবে মর্মে আবার ২ লাখ টাকা দাবী করে। কিন্তু জামাই কাওছারের দাবীকৃত ২লাখ টাকা দিতে না পাড়ায় বিবাহের ৯ মাসের মাথায় তার কন্যা হাফিজাকে হত্যা করে ঘরের আড়ার সাথে টানিয়ে রাখে। ১৯ অক্টোবর দুপুরের পর যে কোনো সময় ওই পরিবারের সকলের চক্রান্তে হত্যা করে টানিয়ে রেখে রাত ৮টার দিকে ঘটক আলাউদ্দিনের মাধ্যমে জানতে পেরে ঘটনা স্থলে যায় তিনি। মহিপুর থানা পুলিশ গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করেছেন। বিষয়টি মহিপুর থানা পুলিশ ও প্রভাবশালীরা ধামা চাপা দিয়ে আত্মহতা বলে চালিয়ে দিচ্ছে। এবাপারে থানায় ইউডি মামলার তদন্ত অফিসার এস আই সাইদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে ০১৭৪২৪০৩৮৭৬ নম্বরে একাধীকবার চেষ্টা করলেও তার ফোনটি বন্ধ থাকায় তার মতামত দেয়াগেলোনা। বিষয়টি পুনরায় তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচারের দাবী করেন অভিযোগকারী।