ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo মহিপুরে মাদ্রাসা শিক্ষক-প্রবাসীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন Logo মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo মহিপুরে ৯৩ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বরফ উৎপাদন ব্যাহত, সমুদ্রে যেতে পারছে না শত শত মাছধরা ট্রলার Logo রিল পেঁচানো স্মৃতির ইতিকথা, প্রযুক্তির বিবর্তনে আজ জাদুঘরে ঠাঁই নিচ্ছে ট্যাপ রেকর্টারের ক্যাসেট।। Logo কুয়াকাটায় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। Logo মহিপুরে অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, আশ্বস্ত করলেন এমপি মোশাররফ Logo এক জালেই ৪৬ মণ ইলিশ, মহিপুরে বিক্রি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায় Logo কুয়াকাটায় তুলাতলী লায়ন স্পোর্টিং ক্লাবের শতাধিক বৃক্ষরোপণ Logo ১০ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার বড় চরকাজল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেহেদী মোল্লা 
আজকের শিরোনামঃ
Logo মহিপুরে মাদ্রাসা শিক্ষক-প্রবাসীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন Logo মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo মহিপুরে ৯৩ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বরফ উৎপাদন ব্যাহত, সমুদ্রে যেতে পারছে না শত শত মাছধরা ট্রলার Logo রিল পেঁচানো স্মৃতির ইতিকথা, প্রযুক্তির বিবর্তনে আজ জাদুঘরে ঠাঁই নিচ্ছে ট্যাপ রেকর্টারের ক্যাসেট।। Logo কুয়াকাটায় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। Logo মহিপুরে অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, আশ্বস্ত করলেন এমপি মোশাররফ Logo এক জালেই ৪৬ মণ ইলিশ, মহিপুরে বিক্রি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায় Logo কুয়াকাটায় তুলাতলী লায়ন স্পোর্টিং ক্লাবের শতাধিক বৃক্ষরোপণ Logo ১০ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার বড় চরকাজল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেহেদী মোল্লা 

মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪১০ বার পড়া হয়েছে

0-4064x3074-0-0#

মহিপুর প্রতিনিধি:  মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে প্রতিপক্ষের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জমির ক্রয়সূত্রে মালিক মো. ইমরান।

বুধবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় মহিপুরের বিরোধীয় জমি সংলগ্ন সড়কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আদালতে বিচারাধীন মামলার স্থগিতা‌দেশ থাকার পরও তা অমান্য করার যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সত্যের অপলাপ বলে দাবি করে লিখিত বক্তব্যে ইমরান জানান, মহিপুর থানার ইউসুফপুর মৌজার জে.এল. নং-৪০, বি.এস. দাগ নং-২৩০৩/২৩০৭, খতিয়ান নং-৮১৬-এর ১.১৮ একর জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে মো. মজিবুর রহমানের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিষয়টি বর্তমানে কলাপাড়া সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা (নং-২৫৩/২০২৬) হিসেবে বিচারাধীন রয়েছে।

ইমরান অভিযোগ করে বলেন, গত ২২ জুলাই কলাপাড়া আদালত উভয় পক্ষকে জমিতে স্থিতাবস্থা (Status quo) বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তবে এ আদেশের পর মজিবুর রহমানের পক্ষের লোকজন তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে জমিতে আগে থেকে নির্মিত তাদের একটি স্থাপনা বেআইনিভাবে ভেঙে সরিয়ে ফেলা হয়। এ ঘটনায় তিনি আইনগত প্রতিকার চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

ঘটনার আইনি প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ২২ জুলাইয়ের আদেশে সংক্ষুব্ধ হয়ে আইন নিজের হাতে না নিয়ে তিনি পটুয়াখালী জেলা জজ আদালতে ‘মিস আপিল’ (নং-৪০/২০২৬) দায়ের করেন। গত ৪ আগস্ট জেলা জজ আদালত আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন এবং কলাপাড়া আদালতের ২২ জুলাইয়ের স্থিতাবস্থার আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। উচ্চতর আদালতের স্থগিতাদেশ পাওয়ার পরই পূর্বে ভেঙে ফেলা স্থাপনাটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

প্রতিপক্ষের তোলা গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন তিনি। জমি বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ইমরান বলেন, জমির বিরোধে স্থানীয় বিএনপি নেতার সহযোগিতার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দেওয়ানি বিরোধকে রাজনৈতিক রং দেওয়া অনুচিত।

ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি। ইমরান বলেন, পুলিশ কখন ঘটনাস্থলে গিয়েছিল, কী পরিস্থিতিতে গিয়েছিল এবং কী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের হয়ে আসা উচিত।

সংবাদ সম্মেলনে ইমরান বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জানিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, কোনো একটি পক্ষের একক বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ প্রকাশ না করে উভয় পক্ষের বক্তব্য, আদালতের নথি ও সাম্প্রতিক আদেশ যাচাই করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরা উচিত।

তিনি জমিটির মালিকানা ও দখলের বিষয়টি আদালতের ওপর ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, আদালতের যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেবেন। তবে একই সাথে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা এবং কোনো পক্ষ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জোরালো দাবি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহিপুরে মাদ্রাসা শিক্ষক-প্রবাসীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মহিপুর প্রতিনিধি:  মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে প্রতিপক্ষের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জমির ক্রয়সূত্রে মালিক মো. ইমরান।

বুধবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় মহিপুরের বিরোধীয় জমি সংলগ্ন সড়কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আদালতে বিচারাধীন মামলার স্থগিতা‌দেশ থাকার পরও তা অমান্য করার যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সত্যের অপলাপ বলে দাবি করে লিখিত বক্তব্যে ইমরান জানান, মহিপুর থানার ইউসুফপুর মৌজার জে.এল. নং-৪০, বি.এস. দাগ নং-২৩০৩/২৩০৭, খতিয়ান নং-৮১৬-এর ১.১৮ একর জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে মো. মজিবুর রহমানের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিষয়টি বর্তমানে কলাপাড়া সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা (নং-২৫৩/২০২৬) হিসেবে বিচারাধীন রয়েছে।

ইমরান অভিযোগ করে বলেন, গত ২২ জুলাই কলাপাড়া আদালত উভয় পক্ষকে জমিতে স্থিতাবস্থা (Status quo) বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তবে এ আদেশের পর মজিবুর রহমানের পক্ষের লোকজন তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে জমিতে আগে থেকে নির্মিত তাদের একটি স্থাপনা বেআইনিভাবে ভেঙে সরিয়ে ফেলা হয়। এ ঘটনায় তিনি আইনগত প্রতিকার চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

ঘটনার আইনি প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ২২ জুলাইয়ের আদেশে সংক্ষুব্ধ হয়ে আইন নিজের হাতে না নিয়ে তিনি পটুয়াখালী জেলা জজ আদালতে ‘মিস আপিল’ (নং-৪০/২০২৬) দায়ের করেন। গত ৪ আগস্ট জেলা জজ আদালত আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন এবং কলাপাড়া আদালতের ২২ জুলাইয়ের স্থিতাবস্থার আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। উচ্চতর আদালতের স্থগিতাদেশ পাওয়ার পরই পূর্বে ভেঙে ফেলা স্থাপনাটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

প্রতিপক্ষের তোলা গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন তিনি। জমি বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ইমরান বলেন, জমির বিরোধে স্থানীয় বিএনপি নেতার সহযোগিতার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দেওয়ানি বিরোধকে রাজনৈতিক রং দেওয়া অনুচিত।

ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি। ইমরান বলেন, পুলিশ কখন ঘটনাস্থলে গিয়েছিল, কী পরিস্থিতিতে গিয়েছিল এবং কী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের হয়ে আসা উচিত।

সংবাদ সম্মেলনে ইমরান বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জানিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, কোনো একটি পক্ষের একক বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ প্রকাশ না করে উভয় পক্ষের বক্তব্য, আদালতের নথি ও সাম্প্রতিক আদেশ যাচাই করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরা উচিত।

তিনি জমিটির মালিকানা ও দখলের বিষয়টি আদালতের ওপর ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, আদালতের যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেবেন। তবে একই সাথে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা এবং কোনো পক্ষ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জোরালো দাবি জানান।