ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে নির্যাতন: আব্বা ডেকেও রেহাই পেলেন না ছাত্রদল নেতা। Logo পটুয়াখালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পেশাদার চোর মোঃ আরাফাত সিকদার (১৯), পিতা- মোঃ হোসেন সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে Logo মহিপুরে দাখিল মাদ্রাসায় বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল ও স্বচ্ছ নিয়োগের জন্য মানববন্ধন।। Logo ‎নাতনী সাথী (২০) কর্তৃক আপন দাদীকে নির্যাতনের অভিযোগ। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ১৭৫ (একশত পচাত্তর) পিচ ইয়াবা এবং মাদক বিক্রয়লব্ধ টাকা সহ ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo কুয়াকাটা খানবাদ ডিগ্রি কলেজে নবীন বরণ উৎসব। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ৩৪(চৌত্রিশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পরপরই মামলা রুজু করা হয়েছে। Logo সরকার আসে সরকার যায়,  দীর্ঘ ৩০ বছরেও নির্মান হয়নি নীলগন্জের পাখিমারা খালের স্হায়ী সেতু,যোগাযোগ সংকটে কৃষি পন্য Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া ১০ (দশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo কুয়াকাটায় সমুদ্রে বিলীন হওয়া জমি ভিতরে দাবী করে দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ।
আজকের শিরোনামঃ
Logo ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে নির্যাতন: আব্বা ডেকেও রেহাই পেলেন না ছাত্রদল নেতা। Logo পটুয়াখালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পেশাদার চোর মোঃ আরাফাত সিকদার (১৯), পিতা- মোঃ হোসেন সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে Logo মহিপুরে দাখিল মাদ্রাসায় বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল ও স্বচ্ছ নিয়োগের জন্য মানববন্ধন।। Logo ‎নাতনী সাথী (২০) কর্তৃক আপন দাদীকে নির্যাতনের অভিযোগ। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ১৭৫ (একশত পচাত্তর) পিচ ইয়াবা এবং মাদক বিক্রয়লব্ধ টাকা সহ ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo কুয়াকাটা খানবাদ ডিগ্রি কলেজে নবীন বরণ উৎসব। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ৩৪(চৌত্রিশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পরপরই মামলা রুজু করা হয়েছে। Logo সরকার আসে সরকার যায়,  দীর্ঘ ৩০ বছরেও নির্মান হয়নি নীলগন্জের পাখিমারা খালের স্হায়ী সেতু,যোগাযোগ সংকটে কৃষি পন্য Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া ১০ (দশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo কুয়াকাটায় সমুদ্রে বিলীন হওয়া জমি ভিতরে দাবী করে দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ।

মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে

0-4064x3074-0-0#

মহিপুর প্রতিনিধি:  মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে প্রতিপক্ষের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জমির ক্রয়সূত্রে মালিক মো. ইমরান।

বুধবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় মহিপুরের বিরোধীয় জমি সংলগ্ন সড়কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আদালতে বিচারাধীন মামলার স্থগিতা‌দেশ থাকার পরও তা অমান্য করার যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সত্যের অপলাপ বলে দাবি করে লিখিত বক্তব্যে ইমরান জানান, মহিপুর থানার ইউসুফপুর মৌজার জে.এল. নং-৪০, বি.এস. দাগ নং-২৩০৩/২৩০৭, খতিয়ান নং-৮১৬-এর ১.১৮ একর জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে মো. মজিবুর রহমানের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিষয়টি বর্তমানে কলাপাড়া সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা (নং-২৫৩/২০২৬) হিসেবে বিচারাধীন রয়েছে।

ইমরান অভিযোগ করে বলেন, গত ২২ জুলাই কলাপাড়া আদালত উভয় পক্ষকে জমিতে স্থিতাবস্থা (Status quo) বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তবে এ আদেশের পর মজিবুর রহমানের পক্ষের লোকজন তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে জমিতে আগে থেকে নির্মিত তাদের একটি স্থাপনা বেআইনিভাবে ভেঙে সরিয়ে ফেলা হয়। এ ঘটনায় তিনি আইনগত প্রতিকার চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

ঘটনার আইনি প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ২২ জুলাইয়ের আদেশে সংক্ষুব্ধ হয়ে আইন নিজের হাতে না নিয়ে তিনি পটুয়াখালী জেলা জজ আদালতে ‘মিস আপিল’ (নং-৪০/২০২৬) দায়ের করেন। গত ৪ আগস্ট জেলা জজ আদালত আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন এবং কলাপাড়া আদালতের ২২ জুলাইয়ের স্থিতাবস্থার আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। উচ্চতর আদালতের স্থগিতাদেশ পাওয়ার পরই পূর্বে ভেঙে ফেলা স্থাপনাটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

প্রতিপক্ষের তোলা গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন তিনি। জমি বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ইমরান বলেন, জমির বিরোধে স্থানীয় বিএনপি নেতার সহযোগিতার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দেওয়ানি বিরোধকে রাজনৈতিক রং দেওয়া অনুচিত।

ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি। ইমরান বলেন, পুলিশ কখন ঘটনাস্থলে গিয়েছিল, কী পরিস্থিতিতে গিয়েছিল এবং কী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের হয়ে আসা উচিত।

সংবাদ সম্মেলনে ইমরান বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জানিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, কোনো একটি পক্ষের একক বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ প্রকাশ না করে উভয় পক্ষের বক্তব্য, আদালতের নথি ও সাম্প্রতিক আদেশ যাচাই করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরা উচিত।

তিনি জমিটির মালিকানা ও দখলের বিষয়টি আদালতের ওপর ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, আদালতের যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেবেন। তবে একই সাথে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা এবং কোনো পক্ষ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জোরালো দাবি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে নির্যাতন: আব্বা ডেকেও রেহাই পেলেন না ছাত্রদল নেতা।

মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মহিপুর প্রতিনিধি:  মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে প্রতিপক্ষের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জমির ক্রয়সূত্রে মালিক মো. ইমরান।

বুধবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় মহিপুরের বিরোধীয় জমি সংলগ্ন সড়কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আদালতে বিচারাধীন মামলার স্থগিতা‌দেশ থাকার পরও তা অমান্য করার যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সত্যের অপলাপ বলে দাবি করে লিখিত বক্তব্যে ইমরান জানান, মহিপুর থানার ইউসুফপুর মৌজার জে.এল. নং-৪০, বি.এস. দাগ নং-২৩০৩/২৩০৭, খতিয়ান নং-৮১৬-এর ১.১৮ একর জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে মো. মজিবুর রহমানের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিষয়টি বর্তমানে কলাপাড়া সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা (নং-২৫৩/২০২৬) হিসেবে বিচারাধীন রয়েছে।

ইমরান অভিযোগ করে বলেন, গত ২২ জুলাই কলাপাড়া আদালত উভয় পক্ষকে জমিতে স্থিতাবস্থা (Status quo) বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তবে এ আদেশের পর মজিবুর রহমানের পক্ষের লোকজন তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে জমিতে আগে থেকে নির্মিত তাদের একটি স্থাপনা বেআইনিভাবে ভেঙে সরিয়ে ফেলা হয়। এ ঘটনায় তিনি আইনগত প্রতিকার চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

ঘটনার আইনি প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ২২ জুলাইয়ের আদেশে সংক্ষুব্ধ হয়ে আইন নিজের হাতে না নিয়ে তিনি পটুয়াখালী জেলা জজ আদালতে ‘মিস আপিল’ (নং-৪০/২০২৬) দায়ের করেন। গত ৪ আগস্ট জেলা জজ আদালত আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন এবং কলাপাড়া আদালতের ২২ জুলাইয়ের স্থিতাবস্থার আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। উচ্চতর আদালতের স্থগিতাদেশ পাওয়ার পরই পূর্বে ভেঙে ফেলা স্থাপনাটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

প্রতিপক্ষের তোলা গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন তিনি। জমি বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ইমরান বলেন, জমির বিরোধে স্থানীয় বিএনপি নেতার সহযোগিতার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দেওয়ানি বিরোধকে রাজনৈতিক রং দেওয়া অনুচিত।

ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি। ইমরান বলেন, পুলিশ কখন ঘটনাস্থলে গিয়েছিল, কী পরিস্থিতিতে গিয়েছিল এবং কী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের হয়ে আসা উচিত।

সংবাদ সম্মেলনে ইমরান বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জানিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, কোনো একটি পক্ষের একক বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ প্রকাশ না করে উভয় পক্ষের বক্তব্য, আদালতের নথি ও সাম্প্রতিক আদেশ যাচাই করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরা উচিত।

তিনি জমিটির মালিকানা ও দখলের বিষয়টি আদালতের ওপর ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, আদালতের যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেবেন। তবে একই সাথে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা এবং কোনো পক্ষ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জোরালো দাবি জানান।