ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo মহিপুরে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর উত্থাল মৎস্য বন্দর মহিপুর – আলীপুর মৎস্য শিকারীরা Logo মহিপুরে মাদ্রাসা শিক্ষক-প্রবাসীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন Logo মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo মহিপুরে ৯৩ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বরফ উৎপাদন ব্যাহত, সমুদ্রে যেতে পারছে না শত শত মাছধরা ট্রলার Logo রিল পেঁচানো স্মৃতির ইতিকথা, প্রযুক্তির বিবর্তনে আজ জাদুঘরে ঠাঁই নিচ্ছে ট্যাপ রেকর্টারের ক্যাসেট।। Logo কুয়াকাটায় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। Logo মহিপুরে অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, আশ্বস্ত করলেন এমপি মোশাররফ Logo এক জালেই ৪৬ মণ ইলিশ, মহিপুরে বিক্রি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়
আজকের শিরোনামঃ
Logo মহিপুরে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর উত্থাল মৎস্য বন্দর মহিপুর – আলীপুর মৎস্য শিকারীরা Logo মহিপুরে মাদ্রাসা শিক্ষক-প্রবাসীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন Logo মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo মহিপুরে ৯৩ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বরফ উৎপাদন ব্যাহত, সমুদ্রে যেতে পারছে না শত শত মাছধরা ট্রলার Logo রিল পেঁচানো স্মৃতির ইতিকথা, প্রযুক্তির বিবর্তনে আজ জাদুঘরে ঠাঁই নিচ্ছে ট্যাপ রেকর্টারের ক্যাসেট।। Logo কুয়াকাটায় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। Logo মহিপুরে অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, আশ্বস্ত করলেন এমপি মোশাররফ Logo এক জালেই ৪৬ মণ ইলিশ, মহিপুরে বিক্রি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়

ডালবুগঞ্জে বিদায় অনুষ্ঠানে কোনঠাসা প্রবীণ শিক্ষক, সমালোচনার ঝড়

  • আপডেট সময় : ০৯:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ৪৭৮ বার পড়া হয়েছে

মহিপুর প্রতিনিধিঃ

মহিপুর থানাধীন ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘ডালবুগঞ্জ সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ এক প্রবীণ শিক্ষকের বিদায়ী অনুষ্ঠানে তাকে যথাযথ সম্মান না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

গত ২১ জুন বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিনের শিক্ষক রাধেশ্যাম স্যারের অবসরজনিত বিদায়ী সংবর্ধনা এবং ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান-পরবর্তী বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, অনুষ্ঠানের মূল ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও রাধেশ্যাম স্যারকে মঞ্চের কেন্দ্রীয় স্থানে বা সম্মানজনক আসনে না বসিয়ে একপাশে বসানো হয়। ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, মঞ্চের গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোতে আমন্ত্রিত অতিথি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা আসীন রয়েছেন। এতে বিদায়ী শিক্ষককে প্রত্যাশিত মর্যাদা দেওয়া হয়নি বলে মনে করছেন অনেকে।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ইলিয়াস খান, রুবেল হাওলাদার ও মুনসুর আহমেদসহ বেশ কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই বিদ্যালয় আমাদের আবেগের জায়গা। যিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের মানুষ গড়ার কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তার বিদায়ী অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ সম্মান নিশ্চিত করা উচিত ছিল। অনুষ্ঠানের দৃশ্য দেখে আমরা মর্মাহত হয়েছি। বিদায়ী শিক্ষকের চেয়ে রাজনৈতিক বা অন্যান্য অতিথিরা কোনোভাবেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন না।’

তারা আরও বলেন, ‘অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ হওয়ার কথা ছিল বিদায়ী শিক্ষক ও বিদায়ী শিক্ষার্থীরা। কিন্তু পুরো আয়োজনের চিত্র দেখে মনে হয়েছে, যেন অতিথিদের ঘিরেই সব আয়োজন। এটি আয়োজনে সমন্বয়হীনতা নাকি শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ঘাটতি—সেই প্রশ্ন উঠেছে।’

অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথি ও ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোফাচ্ছেল হক হিরো বলেন, ‘আমি অনুষ্ঠানে গিয়ে স্যারকে যথাযথ স্থানেই বসতে দেখেছি। কিছুক্ষণ পর তিনি উঠে যান। পরে জানতে পারি, ডায়াবেটিসের কারণে তিনি একপাশের চেয়ারে বসেন।’

অব্যবস্থাপনার অভিযোগ অস্বীকার করে একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. জাকির হোসেন। তার ভাষ্য, ‘রাধেশ্যাম স্যারকে প্রধান শিক্ষকের পাশেই বসানো হয়েছিল। কিন্তু স্যারের ডায়াবেটিস থাকায় তাকে বারবার টয়লেটে যেতে হচ্ছিল। এজন্য তিনি নিজের সুবিধার্থে একপাশের চেয়ারে গিয়ে বসেন।’

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও রাজনৈতিক নেতাদের এই বক্তব্যকে সম্পূর্ণ ‘ভুল ও অসত্য’ বলে দাবি করেছেন খোদ বিদায়ী শিক্ষক রাধেশ্যাম স্যার। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘আমার ডায়াবেটিস নেই। তারা যেটা বলছে, সেটা সম্পূর্ণ ভুল। আমি একটু প্রয়োজনে ওপর তলায় গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমার আসনে বসে আছেন। তাই আমি আর তাকে উঠাইনি, কিংবা তখন উঠানোর মতো পরিবেশও ছিল না। বাধ্য হয়ে আমি কর্নারের একটি চেয়ারে গিয়ে বসি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার পাশে তানিয়া নামের এক প্রাক্তন ছাত্রীকে বসানো হয়েছিল, পরিবেশ অনুযায়ী বিষয়টি আমার কাছে কিছুটা দৃষ্টিকটু লেগেছে।’ তবে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ ও ভালোবাসার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সবাইকে বিষয়টি আর না বাড়ানোর অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে ডালবুগঞ্জ সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক অনিত্য কুমার হালদার ঘটনার সত্যতা আংশিক স্বীকার করে বলেন, ‘স্যারকে প্রথমে আমার পাশেই বসানো হয়েছিল। তিনি কোনো প্রয়োজনে স্কুলের ওপরের তলায় গেলে তার ফাঁকা চেয়ারটিতে ডালবুগঞ্জ প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসে বসেন। পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে তাকে আর সেখান থেকে ওঠানো সম্ভব হয়নি। আর তানিয়া নামের ওই ছাত্রীকে সভাপতি সাহেব নিজেই সেখানে বসিয়েছেন।’

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে ডালবুগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছেন। ভবিষ্যতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেকোনো আয়োজনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য তারা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহিপুরে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ডালবুগঞ্জে বিদায় অনুষ্ঠানে কোনঠাসা প্রবীণ শিক্ষক, সমালোচনার ঝড়

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

মহিপুর প্রতিনিধিঃ

মহিপুর থানাধীন ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘ডালবুগঞ্জ সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ এক প্রবীণ শিক্ষকের বিদায়ী অনুষ্ঠানে তাকে যথাযথ সম্মান না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

গত ২১ জুন বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিনের শিক্ষক রাধেশ্যাম স্যারের অবসরজনিত বিদায়ী সংবর্ধনা এবং ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান-পরবর্তী বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, অনুষ্ঠানের মূল ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও রাধেশ্যাম স্যারকে মঞ্চের কেন্দ্রীয় স্থানে বা সম্মানজনক আসনে না বসিয়ে একপাশে বসানো হয়। ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, মঞ্চের গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোতে আমন্ত্রিত অতিথি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা আসীন রয়েছেন। এতে বিদায়ী শিক্ষককে প্রত্যাশিত মর্যাদা দেওয়া হয়নি বলে মনে করছেন অনেকে।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ইলিয়াস খান, রুবেল হাওলাদার ও মুনসুর আহমেদসহ বেশ কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই বিদ্যালয় আমাদের আবেগের জায়গা। যিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের মানুষ গড়ার কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তার বিদায়ী অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ সম্মান নিশ্চিত করা উচিত ছিল। অনুষ্ঠানের দৃশ্য দেখে আমরা মর্মাহত হয়েছি। বিদায়ী শিক্ষকের চেয়ে রাজনৈতিক বা অন্যান্য অতিথিরা কোনোভাবেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন না।’

তারা আরও বলেন, ‘অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ হওয়ার কথা ছিল বিদায়ী শিক্ষক ও বিদায়ী শিক্ষার্থীরা। কিন্তু পুরো আয়োজনের চিত্র দেখে মনে হয়েছে, যেন অতিথিদের ঘিরেই সব আয়োজন। এটি আয়োজনে সমন্বয়হীনতা নাকি শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ঘাটতি—সেই প্রশ্ন উঠেছে।’

অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথি ও ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোফাচ্ছেল হক হিরো বলেন, ‘আমি অনুষ্ঠানে গিয়ে স্যারকে যথাযথ স্থানেই বসতে দেখেছি। কিছুক্ষণ পর তিনি উঠে যান। পরে জানতে পারি, ডায়াবেটিসের কারণে তিনি একপাশের চেয়ারে বসেন।’

অব্যবস্থাপনার অভিযোগ অস্বীকার করে একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. জাকির হোসেন। তার ভাষ্য, ‘রাধেশ্যাম স্যারকে প্রধান শিক্ষকের পাশেই বসানো হয়েছিল। কিন্তু স্যারের ডায়াবেটিস থাকায় তাকে বারবার টয়লেটে যেতে হচ্ছিল। এজন্য তিনি নিজের সুবিধার্থে একপাশের চেয়ারে গিয়ে বসেন।’

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও রাজনৈতিক নেতাদের এই বক্তব্যকে সম্পূর্ণ ‘ভুল ও অসত্য’ বলে দাবি করেছেন খোদ বিদায়ী শিক্ষক রাধেশ্যাম স্যার। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘আমার ডায়াবেটিস নেই। তারা যেটা বলছে, সেটা সম্পূর্ণ ভুল। আমি একটু প্রয়োজনে ওপর তলায় গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমার আসনে বসে আছেন। তাই আমি আর তাকে উঠাইনি, কিংবা তখন উঠানোর মতো পরিবেশও ছিল না। বাধ্য হয়ে আমি কর্নারের একটি চেয়ারে গিয়ে বসি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার পাশে তানিয়া নামের এক প্রাক্তন ছাত্রীকে বসানো হয়েছিল, পরিবেশ অনুযায়ী বিষয়টি আমার কাছে কিছুটা দৃষ্টিকটু লেগেছে।’ তবে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ ও ভালোবাসার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সবাইকে বিষয়টি আর না বাড়ানোর অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে ডালবুগঞ্জ সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক অনিত্য কুমার হালদার ঘটনার সত্যতা আংশিক স্বীকার করে বলেন, ‘স্যারকে প্রথমে আমার পাশেই বসানো হয়েছিল। তিনি কোনো প্রয়োজনে স্কুলের ওপরের তলায় গেলে তার ফাঁকা চেয়ারটিতে ডালবুগঞ্জ প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসে বসেন। পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে তাকে আর সেখান থেকে ওঠানো সম্ভব হয়নি। আর তানিয়া নামের ওই ছাত্রীকে সভাপতি সাহেব নিজেই সেখানে বসিয়েছেন।’

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে ডালবুগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছেন। ভবিষ্যতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেকোনো আয়োজনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য তারা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।