ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo নৌযান শুমারিতে অংশ নিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জেলেদের সহযোগিতা চাইলেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী। Logo ১৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ১ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo ৫০ পিচ ইয়াবাসহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক মাদক বিরোধী অভিযানে চিহ্নিত ০৩ জন মাদক ব্যাবসায়ী ৬০( ষাট) পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার” Logo মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সুমন সরদার (২৮) পটুয়াখালী ডিবি পুলিশের অভিযানে ১১০ (একশত দশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার Logo আমতলী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ০৮ পিচ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন আসামী গ্রেফতার Logo বিশেষ অভিযানে বিদেশি পিস্তলসহ নিষিদ্ধ সংগঠনের শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার Logo “মুন্সীগঞ্জ ডিবি পুলিশের অভিযানে কাজীরপাগলা থেকে ৬০০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার” Logo ২ জন অস্ত্রধারী মাদক কারবারি গ্রেফতার। Logo ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক ১৭ কেজি গাঁজা সহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার 
আজকের শিরোনামঃ
Logo নৌযান শুমারিতে অংশ নিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জেলেদের সহযোগিতা চাইলেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী। Logo ১৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ১ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo ৫০ পিচ ইয়াবাসহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক মাদক বিরোধী অভিযানে চিহ্নিত ০৩ জন মাদক ব্যাবসায়ী ৬০( ষাট) পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার” Logo মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সুমন সরদার (২৮) পটুয়াখালী ডিবি পুলিশের অভিযানে ১১০ (একশত দশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার Logo আমতলী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ০৮ পিচ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন আসামী গ্রেফতার Logo বিশেষ অভিযানে বিদেশি পিস্তলসহ নিষিদ্ধ সংগঠনের শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার Logo “মুন্সীগঞ্জ ডিবি পুলিশের অভিযানে কাজীরপাগলা থেকে ৬০০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার” Logo ২ জন অস্ত্রধারী মাদক কারবারি গ্রেফতার। Logo ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক ১৭ কেজি গাঁজা সহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার 

কুয়াকাটাকে উপজেলা ঘোষণার দাবীতে তিনদিন ব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচী চলছে।

  • আপডেট সময় : ০৭:২৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ৫০৮ বার পড়া হয়েছে

কুয়াকাটা প্রতিনিধিঃ

পর্যটন নগরী কুয়াকাটাকে উপজেলা ঘোষণার দাবীতে তিনদিন ব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চলছে। এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চলবে আগামী বুধবার পর্যন্ত। এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে ১০ হাজার মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হবে। সোমবার বিকেলে কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরাম এর উদ্যোগে কুয়াকাটা চৌরাস্তায় এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের আহবায়ক ও পৌর বিএনপির সভাপতি আঃ আজিজ মুসুল্লী, হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি ও উন্নয়ন ফোরাম এর মহাসচিব এম এ মোতালেব শরীফ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উন্নয়ন ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব মতিউর রহমান, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল, প্রভাষক শহিদুল ইসলাম শাহীন, কলাপাড়া উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মান্নান, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন বিপ্লব, আনোয়ার হোসেন আনু, সাধারন সম্পাদক হোসাইন আমির,টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কাজী সাঈদ প্রমুখ।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের আহবায়ক আঃ আজিজ মুসুল্লি বলেন, কুয়াকাটা পর্যটনকে অকার্যকর করতে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী গড়ে তুলতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুয়াকাটাকে পৌরসভায় রুপান্তর করা হয়েছে। এখানে তিন শতাধিক আবাসিক হোটেল মোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। আধুনিক নৌ পুলিশ ফাঁড়ী, ট্যুরিস্ট পুলিশ জোন, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং, মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র অসংখ্য স্থাপনা রয়েছে। এখানে বিনিয়োগকারীরা হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। তাই কুয়াকাটাকে পরিকল্পিত পর্যটন নগরী গড়ে তুলতে প্রশাসনিক কাঠামো জরুরি।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের মহাসচিব এম এ মোতালেব শরীফ বলেন, কুয়াকাটা পর্যটনকে বাঁচাতে হলে উপজেলা কুয়াকাটায় প্রয়োজন। সেখানে মহিপুরে উপজেলা করার দাবি অযৌক্তিক। তিনি আরো বলেন, ইতিপূর্বে মহিপুর পুলিশ ফাড়ীকে থানায় রুপান্তর করা হয়েছে। যা নিয়ে পর্যটনে বিনিয়োগকারী, আগত পর্যটক সহ স্থানীয়রা হতাশ হয়েছে।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের সদস্য ও ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মান্নান বলেন, মহিপুর একটি মৎস্য বন্দর। যেখানে মৎস্য ব্যবসা ছাড়া আর কোন ব্যবসা বানিজ্যের সূযোগ সুবিধা নেই। নেই ভালো কোন অবকাঠামো। রাজনৈতিক বিবেচনায় সেখানে থানা হয়েছে বিগত সরকারের সময়। যা খুবই দুঃখ জনক। তিনি বলেন, কুয়াকাটাকে উপজেলা করা না হলে পর্যটন ব্যবস্থা নড়বড়ে হবে।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘোষিত পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় উপজেলা না হলে এই পর্যটন নগরী মুখ থুবড়ে পরবে। তিনি বলেন, মহিপুর সহ কলাপাড়া উপজেলার মানুষ এলাকার বাহিরে গেলে কুয়াকাটায় তার বাড়ি পরিচয় দেয়। সারা বিশ্বে কুয়াকাটাকে চেনে জানে। অথচ কুয়াকাটাকে ধ্বংস করতে প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সবদিক থেকে কুয়াকাটা উপজেলা সহ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলতে যেসব অবকাঠামো দরকার তা সবই এখানে আছে।

তাই কুয়াকাটা উপজেলার দাবি সময়ের দাবি। এ দাবি পুরণ না হওয়া পর্যন্ত গণস্বাক্ষর কর্মসূচি সহ বিভিন্ন গ্রহণ করবে বলে জানান কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের নেতৃবৃন্দ।

জনপ্রিয় সংবাদ

নৌযান শুমারিতে অংশ নিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জেলেদের সহযোগিতা চাইলেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী।

কুয়াকাটাকে উপজেলা ঘোষণার দাবীতে তিনদিন ব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচী চলছে।

আপডেট সময় : ০৭:২৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

কুয়াকাটা প্রতিনিধিঃ

পর্যটন নগরী কুয়াকাটাকে উপজেলা ঘোষণার দাবীতে তিনদিন ব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চলছে। এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চলবে আগামী বুধবার পর্যন্ত। এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে ১০ হাজার মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হবে। সোমবার বিকেলে কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরাম এর উদ্যোগে কুয়াকাটা চৌরাস্তায় এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের আহবায়ক ও পৌর বিএনপির সভাপতি আঃ আজিজ মুসুল্লী, হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি ও উন্নয়ন ফোরাম এর মহাসচিব এম এ মোতালেব শরীফ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উন্নয়ন ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব মতিউর রহমান, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল, প্রভাষক শহিদুল ইসলাম শাহীন, কলাপাড়া উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মান্নান, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন বিপ্লব, আনোয়ার হোসেন আনু, সাধারন সম্পাদক হোসাইন আমির,টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কাজী সাঈদ প্রমুখ।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের আহবায়ক আঃ আজিজ মুসুল্লি বলেন, কুয়াকাটা পর্যটনকে অকার্যকর করতে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী গড়ে তুলতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুয়াকাটাকে পৌরসভায় রুপান্তর করা হয়েছে। এখানে তিন শতাধিক আবাসিক হোটেল মোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। আধুনিক নৌ পুলিশ ফাঁড়ী, ট্যুরিস্ট পুলিশ জোন, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং, মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র অসংখ্য স্থাপনা রয়েছে। এখানে বিনিয়োগকারীরা হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। তাই কুয়াকাটাকে পরিকল্পিত পর্যটন নগরী গড়ে তুলতে প্রশাসনিক কাঠামো জরুরি।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের মহাসচিব এম এ মোতালেব শরীফ বলেন, কুয়াকাটা পর্যটনকে বাঁচাতে হলে উপজেলা কুয়াকাটায় প্রয়োজন। সেখানে মহিপুরে উপজেলা করার দাবি অযৌক্তিক। তিনি আরো বলেন, ইতিপূর্বে মহিপুর পুলিশ ফাড়ীকে থানায় রুপান্তর করা হয়েছে। যা নিয়ে পর্যটনে বিনিয়োগকারী, আগত পর্যটক সহ স্থানীয়রা হতাশ হয়েছে।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের সদস্য ও ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মান্নান বলেন, মহিপুর একটি মৎস্য বন্দর। যেখানে মৎস্য ব্যবসা ছাড়া আর কোন ব্যবসা বানিজ্যের সূযোগ সুবিধা নেই। নেই ভালো কোন অবকাঠামো। রাজনৈতিক বিবেচনায় সেখানে থানা হয়েছে বিগত সরকারের সময়। যা খুবই দুঃখ জনক। তিনি বলেন, কুয়াকাটাকে উপজেলা করা না হলে পর্যটন ব্যবস্থা নড়বড়ে হবে।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘোষিত পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় উপজেলা না হলে এই পর্যটন নগরী মুখ থুবড়ে পরবে। তিনি বলেন, মহিপুর সহ কলাপাড়া উপজেলার মানুষ এলাকার বাহিরে গেলে কুয়াকাটায় তার বাড়ি পরিচয় দেয়। সারা বিশ্বে কুয়াকাটাকে চেনে জানে। অথচ কুয়াকাটাকে ধ্বংস করতে প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সবদিক থেকে কুয়াকাটা উপজেলা সহ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলতে যেসব অবকাঠামো দরকার তা সবই এখানে আছে।

তাই কুয়াকাটা উপজেলার দাবি সময়ের দাবি। এ দাবি পুরণ না হওয়া পর্যন্ত গণস্বাক্ষর কর্মসূচি সহ বিভিন্ন গ্রহণ করবে বলে জানান কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের নেতৃবৃন্দ।