ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে নির্যাতন: আব্বা ডেকেও রেহাই পেলেন না ছাত্রদল নেতা। Logo পটুয়াখালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পেশাদার চোর মোঃ আরাফাত সিকদার (১৯), পিতা- মোঃ হোসেন সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে Logo মহিপুরে দাখিল মাদ্রাসায় বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল ও স্বচ্ছ নিয়োগের জন্য মানববন্ধন।। Logo ‎নাতনী সাথী (২০) কর্তৃক আপন দাদীকে নির্যাতনের অভিযোগ। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ১৭৫ (একশত পচাত্তর) পিচ ইয়াবা এবং মাদক বিক্রয়লব্ধ টাকা সহ ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo কুয়াকাটা খানবাদ ডিগ্রি কলেজে নবীন বরণ উৎসব। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ৩৪(চৌত্রিশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পরপরই মামলা রুজু করা হয়েছে। Logo সরকার আসে সরকার যায়,  দীর্ঘ ৩০ বছরেও নির্মান হয়নি নীলগন্জের পাখিমারা খালের স্হায়ী সেতু,যোগাযোগ সংকটে কৃষি পন্য Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া ১০ (দশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo কুয়াকাটায় সমুদ্রে বিলীন হওয়া জমি ভিতরে দাবী করে দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ।
আজকের শিরোনামঃ
Logo ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে নির্যাতন: আব্বা ডেকেও রেহাই পেলেন না ছাত্রদল নেতা। Logo পটুয়াখালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পেশাদার চোর মোঃ আরাফাত সিকদার (১৯), পিতা- মোঃ হোসেন সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে Logo মহিপুরে দাখিল মাদ্রাসায় বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল ও স্বচ্ছ নিয়োগের জন্য মানববন্ধন।। Logo ‎নাতনী সাথী (২০) কর্তৃক আপন দাদীকে নির্যাতনের অভিযোগ। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ১৭৫ (একশত পচাত্তর) পিচ ইয়াবা এবং মাদক বিক্রয়লব্ধ টাকা সহ ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo কুয়াকাটা খানবাদ ডিগ্রি কলেজে নবীন বরণ উৎসব। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ৩৪(চৌত্রিশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পরপরই মামলা রুজু করা হয়েছে। Logo সরকার আসে সরকার যায়,  দীর্ঘ ৩০ বছরেও নির্মান হয়নি নীলগন্জের পাখিমারা খালের স্হায়ী সেতু,যোগাযোগ সংকটে কৃষি পন্য Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া ১০ (দশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo কুয়াকাটায় সমুদ্রে বিলীন হওয়া জমি ভিতরে দাবী করে দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ।

ছাত্রদল থেকে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি

  • আপডেট সময় : ০৯:০৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | বরিশাল

ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে দীর্ঘ সাংগঠনিক পথচলার মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির একজন পরিচিত মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন অ্যাডভোকেট এইচ এম তসলিম উদ্দিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি পদে মনোনীত হওয়ায় বরিশালসহ বাবুগঞ্জ ও মুলাদী বরিশালের সকল উপজেলার বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ, উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

গত ৪ জুন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অ্যাডভোকেট এইচ এম তসলিম উদ্দিনকে সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত করার তথ্য জানানো হয়। এই ঘোষণার পর থেকেই বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের দরিয়াবাদ গ্রামের সন্তান এইচ এম তসলিম উদ্দিন ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বিএম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নেতৃত্বের দক্ষতার পরিচয় দেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর সাংগঠনিক সক্ষমতা ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় তিনি যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) এবং পরে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বরিশাল জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শুধু দলীয় রাজনীতিতেই নয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনাতেও রয়েছে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা। তিনি বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শিক্ষা উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখে চলেছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক ত্যাগ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং দলের প্রতি নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

বরিশালের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অনেকেই মনে করেন, জেলার রাজনৈতিক নেতৃত্বে আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন এইচ এম তসলিম উদ্দিন। অনেকের মতে, তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে ভবিষ্যতে বরিশাল জেলা বিএনপির নেতৃত্বেও তাঁকে দেখতে চায় তৃণমূল।

প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট এইচ এম তসলিম উদ্দিন বলেন, “আমাকে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ দলের সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “দলের আদর্শ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম এবং জনগণের প্রত্যাশাকে সামনে রেখে যুবসমাজকে আধুনিক, দক্ষ ও যুগোপযোগীভাবে সংগঠিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব। যুবদলকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল, জনমুখী ও মাদকমুক্ত সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে আমি বদ্ধপরিকর।”

তাঁর এই পদোন্নতির খবরে বাবুগঞ্জ ও মুলাদী সহ বরিশালের সকল উপজেলাসহ পুরো বরিশাল অঞ্চলে বিএনপি পরিবারে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এবং তাঁর নতুন দায়িত্ব পালনে সফলতা কামনা করছেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ছাত্রদলের একজন কর্মী থেকে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি হয়ে ওঠার এই যাত্রা শুধু একজন নেতার ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়, বরং এটি দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যবসায়, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের আস্থার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে নির্যাতন: আব্বা ডেকেও রেহাই পেলেন না ছাত্রদল নেতা।

ছাত্রদল থেকে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি

আপডেট সময় : ০৯:০৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক | বরিশাল

ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে দীর্ঘ সাংগঠনিক পথচলার মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির একজন পরিচিত মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন অ্যাডভোকেট এইচ এম তসলিম উদ্দিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি পদে মনোনীত হওয়ায় বরিশালসহ বাবুগঞ্জ ও মুলাদী বরিশালের সকল উপজেলার বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ, উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

গত ৪ জুন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অ্যাডভোকেট এইচ এম তসলিম উদ্দিনকে সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত করার তথ্য জানানো হয়। এই ঘোষণার পর থেকেই বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের দরিয়াবাদ গ্রামের সন্তান এইচ এম তসলিম উদ্দিন ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বিএম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নেতৃত্বের দক্ষতার পরিচয় দেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর সাংগঠনিক সক্ষমতা ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় তিনি যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) এবং পরে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বরিশাল জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শুধু দলীয় রাজনীতিতেই নয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনাতেও রয়েছে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা। তিনি বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শিক্ষা উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখে চলেছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক ত্যাগ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং দলের প্রতি নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

বরিশালের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অনেকেই মনে করেন, জেলার রাজনৈতিক নেতৃত্বে আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন এইচ এম তসলিম উদ্দিন। অনেকের মতে, তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে ভবিষ্যতে বরিশাল জেলা বিএনপির নেতৃত্বেও তাঁকে দেখতে চায় তৃণমূল।

প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট এইচ এম তসলিম উদ্দিন বলেন, “আমাকে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ দলের সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “দলের আদর্শ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম এবং জনগণের প্রত্যাশাকে সামনে রেখে যুবসমাজকে আধুনিক, দক্ষ ও যুগোপযোগীভাবে সংগঠিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব। যুবদলকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল, জনমুখী ও মাদকমুক্ত সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে আমি বদ্ধপরিকর।”

তাঁর এই পদোন্নতির খবরে বাবুগঞ্জ ও মুলাদী সহ বরিশালের সকল উপজেলাসহ পুরো বরিশাল অঞ্চলে বিএনপি পরিবারে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এবং তাঁর নতুন দায়িত্ব পালনে সফলতা কামনা করছেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ছাত্রদলের একজন কর্মী থেকে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি হয়ে ওঠার এই যাত্রা শুধু একজন নেতার ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়, বরং এটি দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যবসায়, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের আস্থার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।