ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo মহিপুরে সাগরে জাল ফেলতে চাঁদা দাবি, না দেওয়ায় হামলা, ৪ জেলে আহত Logo মহিপুরে বিএফডিসি’র ম্যানেজারের আটোচার্জ বানিজ্য, মাসে লাখ টাকা আয়। Logo কুয়াকাটায় বসতভিটা দখল চেষ্টার অভিযোগ। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ০৫ (পাঁচ) টি মাদক মামলার আসামী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শানু গাজীকে গ্রেফতার Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক১০ (দশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক করে ১০০ (একশত) গ্রাম গাঁজা সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo মাত্র ১০ মাসে কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের তানজিলা Logo কুয়াকাটায় জমি বিক্রি নিয়ে ছোট ভাইবোনদের প্রতারণা, বড় ভাইয়ের হাজতবাস। Logo অভিনন্দন শহিদুল ইসলাম শাহিন স্যারকে Logo নিখোঁজ সংবাদ
আজকের শিরোনামঃ
Logo মহিপুরে সাগরে জাল ফেলতে চাঁদা দাবি, না দেওয়ায় হামলা, ৪ জেলে আহত Logo মহিপুরে বিএফডিসি’র ম্যানেজারের আটোচার্জ বানিজ্য, মাসে লাখ টাকা আয়। Logo কুয়াকাটায় বসতভিটা দখল চেষ্টার অভিযোগ। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ০৫ (পাঁচ) টি মাদক মামলার আসামী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শানু গাজীকে গ্রেফতার Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক১০ (দশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক করে ১০০ (একশত) গ্রাম গাঁজা সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo মাত্র ১০ মাসে কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের তানজিলা Logo কুয়াকাটায় জমি বিক্রি নিয়ে ছোট ভাইবোনদের প্রতারণা, বড় ভাইয়ের হাজতবাস। Logo অভিনন্দন শহিদুল ইসলাম শাহিন স্যারকে Logo নিখোঁজ সংবাদ

পর্যটন পরিবেশের জন্য, রাজনীতি মানুষের জন্য 

  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪৬০ বার পড়া হয়েছে

নির্ভুল বার্তা ডেক্সঃ

একটি রাষ্ট্রকে বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় তার রাজধানী নয়; বরং তার প্রান্তিক জনপদ। একটি সমাজকে বিচার করার সবচেয়ে নির্ভুল মানদণ্ড তার উন্নয়নের পরিসংখ্যান নয়; বরং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, পরিবেশ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। আর একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে তিনটি মৌলিক শক্তি—সুস্থ রাজনীতি, স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং সুরক্ষিত পরিবেশ।

এই তিনটি ক্ষেত্রকে আমরা প্রায়ই আলাদা করে দেখি। অথচ বাস্তবে তারা একই বৃত্তের তিনটি অপরিহার্য অংশ। রাজনীতি যদি মানুষের জন্য না হয়, সাংবাদিকতা যদি জবাবদিহির জন্য না হয় এবং পরিবেশ যদি উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে না থাকে, তবে রাষ্ট্রের অগ্রগতি একসময় কাগজে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

রাজনীতির প্রকৃত অর্থ ক্ষমতা দখল নয়; মানুষের জীবনমান উন্নত করা। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি কিংবা রাজনৈতিক কর্মীর প্রথম পরিচয় হওয়া উচিত মানুষের আস্থা অর্জন। রাজনীতি তখনই অর্থবহ, যখন তা নাগরিকের নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং স্থানীয় উন্নয়নের প্রশ্নে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখে। জনগণ রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, কার্যকর পরিবর্তন দেখতে চায়।
সাংবাদিকতা সেই পরিবর্তনের আয়না। একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ নয়; বরং রাষ্ট্রের আত্মসমালোচনার সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম। সাংবাদিকের কলমের কাজ কাউকে অযথা অভিযুক্ত করা নয়, আবার অন্যায়ের সামনে নীরব থাকাও নয়। সত্য যাচাই, তথ্য উপস্থাপন এবং ক্ষমতার জবাবদিহি নিশ্চিত করার মধ্যেই সাংবাদিকতার মর্যাদা নিহিত।
যেখানে সাংবাদিক প্রশ্ন করতে পারেন না, সেখানে জনগণের প্রশ্নও একসময় হারিয়ে যায়। আর যেখানে প্রশ্ন হারিয়ে যায়, সেখানে জবাবদিহিও হারিয়ে যায়।

অন্যদিকে পরিবেশ আজ আর কেবল প্রকৃতিপ্রেমীদের আলোচনার বিষয় নয়; এটি অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। উপকূলীয় বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত প্রতিদিন অনুভব করছে। নদী ভাঙছে, লবণাক্ততা বাড়ছে, জীববৈচিত্র্য সংকুচিত হচ্ছে। উন্নয়ন যদি প্রকৃতির সঙ্গে সংঘাতে দাঁড়ায়, তবে সেই উন্নয়নের স্থায়িত্ব থাকে না।
কুয়াকাটা এই বাস্তবতার একটি প্রতীক। এটি যেমন পর্যটনের সম্ভাবনার নাম, তেমনি পরিবেশগত সংবেদনশীলতারও নাম। এখানে পর্যটন মানে শুধু হোটেল বা ব্যবসা নয়; হাজারো মানুষের জীবিকা, উপকূলীয় সংস্কৃতি এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি।

কিন্তু পর্যটন তখনই বিকশিত হয়, যখন সেখানে নিরাপত্তা থাকে, সামাজিক শৃঙ্খলা থাকে, পরিচ্ছন্নতা থাকে এবং আইনের শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা থাকে। একটি পর্যটনকেন্দ্রের সুনাম নষ্ট হলে ক্ষতি শুধু একটি এলাকার নয়; ক্ষতি পুরো দেশের।
আমাদের সমাজে আরেকটি প্রবণতা উদ্বেগজনক—আমরা প্রায়ই সমস্যার গভীরে না গিয়ে তার প্রকাশ্য রূপ নিয়ে বিতর্ক করি। কিন্তু একটি সামাজিক সংকট কখনো হঠাৎ জন্ম নেয় না। দীর্ঘদিনের উদাসীনতা, দুর্বল তদারকি, সামাজিক নীরবতা এবং জবাবদিহির ঘাটতি মিলেই বড় সংকট তৈরি হয়।
এই নীরবতা ভাঙা দরকার।

জনপ্রতিনিধিদের আরও সক্রিয় হতে হবে। প্রশাসনকে আইন প্রয়োগে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকদের তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে হবে। নাগরিক সমাজকে সমালোচনার পাশাপাশি সমাধানের পথও দেখাতে হবে। পরিবেশকর্মীদের উন্নয়নের বিরোধিতা নয়, টেকসই উন্নয়নের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।

আজকের তরুণদের জন্যও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। রাজনীতি যেন বিভাজনের নয়, অংশগ্রহণের ভাষা হয়। সাংবাদিকতা যেন প্রচারণার নয়, সত্যের ভাষা হয়। পরিবেশ আন্দোলন যেন স্লোগানের নয়, বাস্তব পরিবর্তনের আন্দোলন হয়।

রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করে শুধু উঁচু ভবন নয়; শক্তিশালী করে সৎ নেতৃত্ব, স্বাধীন সংবাদমাধ্যম, আইনের শাসন, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংরক্ষিত প্রকৃতি। একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে এই পাঁচটি স্তম্ভকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
আমাদের মনে রাখতে হবে, ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী; কিন্তু মানুষের আস্থা দীর্ঘস্থায়ী। সংবাদ একদিনের; কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী। উন্নয়ন দৃশ্যমান; কিন্তু পরিবেশ ধ্বংসের ক্ষতি প্রজন্মের পর প্রজন্ম বহন করে।

তাই আজ আমাদের নতুন করে উচ্চারণ করতে হবে—
পর্যটন হবে পরিবেশবান্ধব। রাজনীতি হবে মানুষের কল্যাণে। সাংবাদিকতা হবে সত্য ও জবাবদিহির পক্ষে।

এই তিনটি দর্শনের সমন্বয়ই পারে একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক এবং টেকসই বাংলাদেশের ভিত্তি নির্মাণ করতে। আর সেই বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব শুধু রাষ্ট্রের নয়—আমাদের সবার।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মহিপুরে সাগরে জাল ফেলতে চাঁদা দাবি, না দেওয়ায় হামলা, ৪ জেলে আহত

পর্যটন পরিবেশের জন্য, রাজনীতি মানুষের জন্য 

আপডেট সময় : ১১:৩৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

নির্ভুল বার্তা ডেক্সঃ

একটি রাষ্ট্রকে বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় তার রাজধানী নয়; বরং তার প্রান্তিক জনপদ। একটি সমাজকে বিচার করার সবচেয়ে নির্ভুল মানদণ্ড তার উন্নয়নের পরিসংখ্যান নয়; বরং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, পরিবেশ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। আর একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে তিনটি মৌলিক শক্তি—সুস্থ রাজনীতি, স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং সুরক্ষিত পরিবেশ।

এই তিনটি ক্ষেত্রকে আমরা প্রায়ই আলাদা করে দেখি। অথচ বাস্তবে তারা একই বৃত্তের তিনটি অপরিহার্য অংশ। রাজনীতি যদি মানুষের জন্য না হয়, সাংবাদিকতা যদি জবাবদিহির জন্য না হয় এবং পরিবেশ যদি উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে না থাকে, তবে রাষ্ট্রের অগ্রগতি একসময় কাগজে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

রাজনীতির প্রকৃত অর্থ ক্ষমতা দখল নয়; মানুষের জীবনমান উন্নত করা। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি কিংবা রাজনৈতিক কর্মীর প্রথম পরিচয় হওয়া উচিত মানুষের আস্থা অর্জন। রাজনীতি তখনই অর্থবহ, যখন তা নাগরিকের নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং স্থানীয় উন্নয়নের প্রশ্নে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখে। জনগণ রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, কার্যকর পরিবর্তন দেখতে চায়।
সাংবাদিকতা সেই পরিবর্তনের আয়না। একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ নয়; বরং রাষ্ট্রের আত্মসমালোচনার সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম। সাংবাদিকের কলমের কাজ কাউকে অযথা অভিযুক্ত করা নয়, আবার অন্যায়ের সামনে নীরব থাকাও নয়। সত্য যাচাই, তথ্য উপস্থাপন এবং ক্ষমতার জবাবদিহি নিশ্চিত করার মধ্যেই সাংবাদিকতার মর্যাদা নিহিত।
যেখানে সাংবাদিক প্রশ্ন করতে পারেন না, সেখানে জনগণের প্রশ্নও একসময় হারিয়ে যায়। আর যেখানে প্রশ্ন হারিয়ে যায়, সেখানে জবাবদিহিও হারিয়ে যায়।

অন্যদিকে পরিবেশ আজ আর কেবল প্রকৃতিপ্রেমীদের আলোচনার বিষয় নয়; এটি অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। উপকূলীয় বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত প্রতিদিন অনুভব করছে। নদী ভাঙছে, লবণাক্ততা বাড়ছে, জীববৈচিত্র্য সংকুচিত হচ্ছে। উন্নয়ন যদি প্রকৃতির সঙ্গে সংঘাতে দাঁড়ায়, তবে সেই উন্নয়নের স্থায়িত্ব থাকে না।
কুয়াকাটা এই বাস্তবতার একটি প্রতীক। এটি যেমন পর্যটনের সম্ভাবনার নাম, তেমনি পরিবেশগত সংবেদনশীলতারও নাম। এখানে পর্যটন মানে শুধু হোটেল বা ব্যবসা নয়; হাজারো মানুষের জীবিকা, উপকূলীয় সংস্কৃতি এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি।

কিন্তু পর্যটন তখনই বিকশিত হয়, যখন সেখানে নিরাপত্তা থাকে, সামাজিক শৃঙ্খলা থাকে, পরিচ্ছন্নতা থাকে এবং আইনের শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা থাকে। একটি পর্যটনকেন্দ্রের সুনাম নষ্ট হলে ক্ষতি শুধু একটি এলাকার নয়; ক্ষতি পুরো দেশের।
আমাদের সমাজে আরেকটি প্রবণতা উদ্বেগজনক—আমরা প্রায়ই সমস্যার গভীরে না গিয়ে তার প্রকাশ্য রূপ নিয়ে বিতর্ক করি। কিন্তু একটি সামাজিক সংকট কখনো হঠাৎ জন্ম নেয় না। দীর্ঘদিনের উদাসীনতা, দুর্বল তদারকি, সামাজিক নীরবতা এবং জবাবদিহির ঘাটতি মিলেই বড় সংকট তৈরি হয়।
এই নীরবতা ভাঙা দরকার।

জনপ্রতিনিধিদের আরও সক্রিয় হতে হবে। প্রশাসনকে আইন প্রয়োগে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকদের তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে হবে। নাগরিক সমাজকে সমালোচনার পাশাপাশি সমাধানের পথও দেখাতে হবে। পরিবেশকর্মীদের উন্নয়নের বিরোধিতা নয়, টেকসই উন্নয়নের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।

আজকের তরুণদের জন্যও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। রাজনীতি যেন বিভাজনের নয়, অংশগ্রহণের ভাষা হয়। সাংবাদিকতা যেন প্রচারণার নয়, সত্যের ভাষা হয়। পরিবেশ আন্দোলন যেন স্লোগানের নয়, বাস্তব পরিবর্তনের আন্দোলন হয়।

রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করে শুধু উঁচু ভবন নয়; শক্তিশালী করে সৎ নেতৃত্ব, স্বাধীন সংবাদমাধ্যম, আইনের শাসন, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংরক্ষিত প্রকৃতি। একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে এই পাঁচটি স্তম্ভকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
আমাদের মনে রাখতে হবে, ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী; কিন্তু মানুষের আস্থা দীর্ঘস্থায়ী। সংবাদ একদিনের; কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী। উন্নয়ন দৃশ্যমান; কিন্তু পরিবেশ ধ্বংসের ক্ষতি প্রজন্মের পর প্রজন্ম বহন করে।

তাই আজ আমাদের নতুন করে উচ্চারণ করতে হবে—
পর্যটন হবে পরিবেশবান্ধব। রাজনীতি হবে মানুষের কল্যাণে। সাংবাদিকতা হবে সত্য ও জবাবদিহির পক্ষে।

এই তিনটি দর্শনের সমন্বয়ই পারে একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক এবং টেকসই বাংলাদেশের ভিত্তি নির্মাণ করতে। আর সেই বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব শুধু রাষ্ট্রের নয়—আমাদের সবার।