ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo মহিপুরে বিএফডিসি’র ম্যানেজারের আটোচার্জ বানিজ্য, মাসে লাখ টাকা আয়। Logo কুয়াকাটায় বসতভিটা দখল চেষ্টার অভিযোগ। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ০৫ (পাঁচ) টি মাদক মামলার আসামী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শানু গাজীকে গ্রেফতার Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক১০ (দশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক করে ১০০ (একশত) গ্রাম গাঁজা সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo মাত্র ১০ মাসে কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের তানজিলা Logo কুয়াকাটায় জমি বিক্রি নিয়ে ছোট ভাইবোনদের প্রতারণা, বড় ভাইয়ের হাজতবাস। Logo অভিনন্দন শহিদুল ইসলাম শাহিন স্যারকে Logo নিখোঁজ সংবাদ Logo মহিপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. মাসুদ রানাকে (৩০) আটক করেছে মহিপুর থানা পুলিশ
আজকের শিরোনামঃ
Logo মহিপুরে বিএফডিসি’র ম্যানেজারের আটোচার্জ বানিজ্য, মাসে লাখ টাকা আয়। Logo কুয়াকাটায় বসতভিটা দখল চেষ্টার অভিযোগ। Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ০৫ (পাঁচ) টি মাদক মামলার আসামী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শানু গাজীকে গ্রেফতার Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক১০ (দশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo মহিপুর থানা পুলিশ কর্তৃক করে ১০০ (একশত) গ্রাম গাঁজা সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার Logo মাত্র ১০ মাসে কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের তানজিলা Logo কুয়াকাটায় জমি বিক্রি নিয়ে ছোট ভাইবোনদের প্রতারণা, বড় ভাইয়ের হাজতবাস। Logo অভিনন্দন শহিদুল ইসলাম শাহিন স্যারকে Logo নিখোঁজ সংবাদ Logo মহিপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. মাসুদ রানাকে (৩০) আটক করেছে মহিপুর থানা পুলিশ

কুয়াকাটায় বসতভিটা দখল চেষ্টার অভিযোগ।

  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪০০ বার পড়া হয়েছে
কুয়াকাটা প্রতিনিধি:
পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ৩ দশক ধরে ভোগদখলের বসতবাড়ি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
শুধু দখল চেস্টাই নয়, একটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা সহ মামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেছে সেলিম মুন্সী নামক এক ভুক্তভোগী। ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১ টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
কুয়াকাটার মুছল্লিয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা মো: সেলিম মুন্সী সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, ৩১ বছর ধরে শান্তিপুর্ণভাবে ভোগদখল থাকা জমি থেকে উচ্ছেদের লক্ষ্যে জাহিদুল ইসলাম সুমন নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি মামলা হামলা সহ নানা রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। লোকজন নিয়ে ঘরের সামনে এসে মহড়া দিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যাবার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এ কারণে নারী ও শিশুরা ভয়ে ঘর থেকে বেড় হতে সাহস পাচ্ছে না।
সেলিম মুন্সী জানান, ১৯৯৫ ইং সালে জমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে পরিবার পরিজন নিয়ে ৩ দশক ধরে বসবাস করে আসছি। এসএ এবং বিএস জরিপ রেকর্ড তার নামেই রয়েছে। (যার বিএস খতিয়ান- ১১২২, দাগ নম্বর- ৪০৯১)।
তিনি আরো বলেন,  কুয়াকাটা ভূইয়া মার্কেটের আচার ব্যবসায়ী মোঃ জাহিদুর ইসলাম সুমন ২০২৫ সালে অন্য এক ওয়ারিশের কাছ থেকে একই দাগ খতিয়ানে ২১ শতক জমি ক্রয় করে। ক্রয়কৃত জমির দলিলের চৌহদ্দি দিয়েছে আমার ভোগদখলী বাড়িঘরের মধ্যে। দাতার নাল জমি থাকা সত্বেও অসৎ উদ্দেশ্যে এমন কাজ করেন সুমন। এ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে
 এই জমি নিয়ে বিরোধ তৈরি হলে তিনি কলাপাড়া সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের মামলা করেন। গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিবাদী মো. জাহিদুর ইসলাম সুমনের বিরুদ্ধে ওই জমির ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে করে গত ৯ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকালে জাহিদুর ইসলাম সুমন বেশ কিছু বহিরাগত ক্যাডার ও লাঠিয়াল বাহিনীকে সাথে নিয়ে তাদের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন। তারা পুরো বাড়িটি ঘিরে ফেলে ভেতরের সদস্যদের অবরুদ্ধ করে ফেলে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনার পর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহিপুর থানা পুলিশের কাছে কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সেলিম মুন্সী দাবী করেন, সুমন একজন ভূমি দস্যু এবং প্রতারক। বার্মিজ আচার, বিভিন্ন বিদেশি চকলেটের নকল পণ্য বিক্রির মাধ্যমে পর্যটক দর্শনার্থীদের সাথে প্রতারণা করে আসছিল। এ নিয়ে সময় টিভিতে রিপোর্ট প্রকাশের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে তাকে জরিমানা করে। সেলিম মুন্সি অসুস্থ থাকায় তার পক্ষে তার শাহীন আলম লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান।
 সেলিম মুন্সী বলেন, “বাইরে অস্ত্রধারী ও বহিরাগতদের মহড়া দেখে ঘরের ভেতর আমার ৪ ও ৯ বছরের দুই নিষ্পাপ নাতি অনবরত আতঙ্কে থাকে। অনবরত কান্নাকাটি করছে। ঘরে অসুস্থ স্ত্রী এবং বৃদ্ধ বাবা এবং শিশুরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভয়ে আমরা ঘর থেকে বাহিরে যাবার সাহস পাচ্ছি না।
 সংবাদ সম্মেলনে প্রভাবশালী ভূমিদস্যু নকল পন্য বিক্রেতা সুমনের এমন কর্মকাণ্ডের হাত থেকে রেহা পেতে মহিপুর থানা পুলিশ সহ প্রশাসনিক উর্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী সেলিম মুন্সি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জাহিদুর ইসলাম সুমন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা দাবী করে জানান, ২০২২ ই সালে মোশাররফ হোসেন এর কাছ থেকে ক্রয় করে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করেন। তিনি বলেন, আমার জমিতে আমাকে ডুকতে দিচ্ছে না উল্টো এমন অভিযোগ করেন তিনি।
জনপ্রিয় সংবাদ

মহিপুরে বিএফডিসি’র ম্যানেজারের আটোচার্জ বানিজ্য, মাসে লাখ টাকা আয়।

কুয়াকাটায় বসতভিটা দখল চেষ্টার অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুয়াকাটা প্রতিনিধি:
পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ৩ দশক ধরে ভোগদখলের বসতবাড়ি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
শুধু দখল চেস্টাই নয়, একটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা সহ মামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেছে সেলিম মুন্সী নামক এক ভুক্তভোগী। ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১ টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
কুয়াকাটার মুছল্লিয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা মো: সেলিম মুন্সী সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, ৩১ বছর ধরে শান্তিপুর্ণভাবে ভোগদখল থাকা জমি থেকে উচ্ছেদের লক্ষ্যে জাহিদুল ইসলাম সুমন নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি মামলা হামলা সহ নানা রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। লোকজন নিয়ে ঘরের সামনে এসে মহড়া দিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যাবার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এ কারণে নারী ও শিশুরা ভয়ে ঘর থেকে বেড় হতে সাহস পাচ্ছে না।
সেলিম মুন্সী জানান, ১৯৯৫ ইং সালে জমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে পরিবার পরিজন নিয়ে ৩ দশক ধরে বসবাস করে আসছি। এসএ এবং বিএস জরিপ রেকর্ড তার নামেই রয়েছে। (যার বিএস খতিয়ান- ১১২২, দাগ নম্বর- ৪০৯১)।
তিনি আরো বলেন,  কুয়াকাটা ভূইয়া মার্কেটের আচার ব্যবসায়ী মোঃ জাহিদুর ইসলাম সুমন ২০২৫ সালে অন্য এক ওয়ারিশের কাছ থেকে একই দাগ খতিয়ানে ২১ শতক জমি ক্রয় করে। ক্রয়কৃত জমির দলিলের চৌহদ্দি দিয়েছে আমার ভোগদখলী বাড়িঘরের মধ্যে। দাতার নাল জমি থাকা সত্বেও অসৎ উদ্দেশ্যে এমন কাজ করেন সুমন। এ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে
 এই জমি নিয়ে বিরোধ তৈরি হলে তিনি কলাপাড়া সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের মামলা করেন। গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিবাদী মো. জাহিদুর ইসলাম সুমনের বিরুদ্ধে ওই জমির ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে করে গত ৯ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকালে জাহিদুর ইসলাম সুমন বেশ কিছু বহিরাগত ক্যাডার ও লাঠিয়াল বাহিনীকে সাথে নিয়ে তাদের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন। তারা পুরো বাড়িটি ঘিরে ফেলে ভেতরের সদস্যদের অবরুদ্ধ করে ফেলে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনার পর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহিপুর থানা পুলিশের কাছে কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সেলিম মুন্সী দাবী করেন, সুমন একজন ভূমি দস্যু এবং প্রতারক। বার্মিজ আচার, বিভিন্ন বিদেশি চকলেটের নকল পণ্য বিক্রির মাধ্যমে পর্যটক দর্শনার্থীদের সাথে প্রতারণা করে আসছিল। এ নিয়ে সময় টিভিতে রিপোর্ট প্রকাশের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে তাকে জরিমানা করে। সেলিম মুন্সি অসুস্থ থাকায় তার পক্ষে তার শাহীন আলম লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান।
 সেলিম মুন্সী বলেন, “বাইরে অস্ত্রধারী ও বহিরাগতদের মহড়া দেখে ঘরের ভেতর আমার ৪ ও ৯ বছরের দুই নিষ্পাপ নাতি অনবরত আতঙ্কে থাকে। অনবরত কান্নাকাটি করছে। ঘরে অসুস্থ স্ত্রী এবং বৃদ্ধ বাবা এবং শিশুরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভয়ে আমরা ঘর থেকে বাহিরে যাবার সাহস পাচ্ছি না।
 সংবাদ সম্মেলনে প্রভাবশালী ভূমিদস্যু নকল পন্য বিক্রেতা সুমনের এমন কর্মকাণ্ডের হাত থেকে রেহা পেতে মহিপুর থানা পুলিশ সহ প্রশাসনিক উর্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী সেলিম মুন্সি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জাহিদুর ইসলাম সুমন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা দাবী করে জানান, ২০২২ ই সালে মোশাররফ হোসেন এর কাছ থেকে ক্রয় করে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করেন। তিনি বলেন, আমার জমিতে আমাকে ডুকতে দিচ্ছে না উল্টো এমন অভিযোগ করেন তিনি।