ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo মাত্র ১০ মাসে কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের তানজিলা Logo কুয়াকাটায় জমি বিক্রি নিয়ে ছোট ভাইবোনদের প্রতারণা, বড় ভাইয়ের হাজতবাস। Logo অভিনন্দন শহিদুল ইসলাম শাহিন স্যারকে Logo নিখোঁজ সংবাদ Logo মহিপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. মাসুদ রানাকে (৩০) আটক করেছে মহিপুর থানা পুলিশ Logo সবার জন্য বাংলাদেশ নামে অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন এর আহবায়ক ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত।। Logo কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন, সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম Logo মহিপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন Logo থানা পুলিশ কর্তৃক ০১ টি বিদেশি পিস্তল, ০৭ রাউন্ড গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার Logo কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুতের ‘ভৌতিক বিলে’ নাজেহাল গ্রাহক পরিশোধিত বিল ফের যুক্ত, মিটার না দেখেই বিল তৈরির অভিযোগ; সংশোধনে অফিসে দৌড়ঝাঁপ
আজকের শিরোনামঃ
Logo মাত্র ১০ মাসে কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের তানজিলা Logo কুয়াকাটায় জমি বিক্রি নিয়ে ছোট ভাইবোনদের প্রতারণা, বড় ভাইয়ের হাজতবাস। Logo অভিনন্দন শহিদুল ইসলাম শাহিন স্যারকে Logo নিখোঁজ সংবাদ Logo মহিপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. মাসুদ রানাকে (৩০) আটক করেছে মহিপুর থানা পুলিশ Logo সবার জন্য বাংলাদেশ নামে অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন এর আহবায়ক ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত।। Logo কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন, সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম Logo মহিপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন Logo থানা পুলিশ কর্তৃক ০১ টি বিদেশি পিস্তল, ০৭ রাউন্ড গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার Logo কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুতের ‘ভৌতিক বিলে’ নাজেহাল গ্রাহক পরিশোধিত বিল ফের যুক্ত, মিটার না দেখেই বিল তৈরির অভিযোগ; সংশোধনে অফিসে দৌড়ঝাঁপ

কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ২০ কেজির ‘সামুদ্রিক শোল’, ১৪ হাজারে বিক্রি

  • আপডেট সময় : ০৪:১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ৪৭২ বার পড়া হয়েছে

কুয়াকাটা প্রতিনিধি:

কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছ। স্থানীয়ভাবে এই মাছটি ‘মথু’ বা ‘দাঁতিনা সুরমা’ নামে পরিচিত।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে মাছটি আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ‘মেসার্স ফাইভ স্টার ফিস’ আড়তে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়। এসময় মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন স্থানীয়রা। পরে ৭০০ টাকা কেজি দরে মোট ১৪ হাজার টাকায় মাছটি যৌথভাবে কিনে নেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান খান ও মো. সোহাগ আহমেদ।

ট্রলারের মাঝি রুহুল আমিন জানান, বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে তারা প্রায় নয় দিন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরছিলেন। অন্যান্য সাধারণ মাছের সঙ্গে হঠাৎ তাদের জালে উঠে আসে এই বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছটি। সাগরে টিকে থাকার কষ্টের পর এমন একটি মাছ ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে তিনি ও তার সহকর্মীরা খুব আনন্দিত।

ক্রেতা আব্দুর রহমান খান ও মো. সোহাগ আহমেদ জানান, সচরাচর বাজারে এত বড় আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছ পাওয়া যায় না। তাই তারা কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং নিজেরা খাওয়ার জন্যই মাছটি কিনে সমান ভাগে ভাগ করে নিয়েছেন।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘সামুদ্রিক শোল মূলত গভীর সমুদ্রের একটি বিরল প্রজাতির মাছ। সাগরের পরিবেশ অনুকূলে থাকলে এবং এরা পর্যাপ্ত খাবার পেলে আকারে বেশ বড় হতে পারে। সাগরে নিয়মিত এমন বড় মাছ ধরা পড়লে উপকূলীয় জেলেরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, যা সামগ্রিক মৎস্য অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

মাত্র ১০ মাসে কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের তানজিলা

কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ২০ কেজির ‘সামুদ্রিক শোল’, ১৪ হাজারে বিক্রি

আপডেট সময় : ০৪:১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

কুয়াকাটা প্রতিনিধি:

কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছ। স্থানীয়ভাবে এই মাছটি ‘মথু’ বা ‘দাঁতিনা সুরমা’ নামে পরিচিত।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে মাছটি আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ‘মেসার্স ফাইভ স্টার ফিস’ আড়তে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়। এসময় মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন স্থানীয়রা। পরে ৭০০ টাকা কেজি দরে মোট ১৪ হাজার টাকায় মাছটি যৌথভাবে কিনে নেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান খান ও মো. সোহাগ আহমেদ।

ট্রলারের মাঝি রুহুল আমিন জানান, বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে তারা প্রায় নয় দিন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরছিলেন। অন্যান্য সাধারণ মাছের সঙ্গে হঠাৎ তাদের জালে উঠে আসে এই বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছটি। সাগরে টিকে থাকার কষ্টের পর এমন একটি মাছ ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে তিনি ও তার সহকর্মীরা খুব আনন্দিত।

ক্রেতা আব্দুর রহমান খান ও মো. সোহাগ আহমেদ জানান, সচরাচর বাজারে এত বড় আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছ পাওয়া যায় না। তাই তারা কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং নিজেরা খাওয়ার জন্যই মাছটি কিনে সমান ভাগে ভাগ করে নিয়েছেন।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘সামুদ্রিক শোল মূলত গভীর সমুদ্রের একটি বিরল প্রজাতির মাছ। সাগরের পরিবেশ অনুকূলে থাকলে এবং এরা পর্যাপ্ত খাবার পেলে আকারে বেশ বড় হতে পারে। সাগরে নিয়মিত এমন বড় মাছ ধরা পড়লে উপকূলীয় জেলেরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, যা সামগ্রিক মৎস্য অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’